মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০১৭

ভ্যালেন্টাইন ডে এর ইতিহাস || ইসমাইল খান




'ভ্যালেন্টাইন ডে’ এর ইতিহাস...

ইসমাইল খান

<3 <3 <3 <3 <3 <3 <3 <3 <3 <3




২৭০ খ্রিষ্টাব্দের কথা।

তখন রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস নারী-পুরুষের বিবাহ বাধনে আবদ্ধ হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। তার ধারণা ছিল, বিবাহ বাধনে আবদ্ধ হলে যুদ্ধের প্রতি পুরুষদের অনীহা সৃষ্টি হয়। সে সময় রোমের খ্রিষ্টান গির্জার পুরোহিত ‘ভ্যালেন্টাইন’ রাজার নির্দেশ অগ্রাহ্য করে গোপনে নারী-পুরুষের বিবাহ বাধনের কাজ সম্পন্ন করতেন। এ ঘটনা উদ্ঘাটিত হওয়ার পর তাকে রাজার কাছে ধরে নিয়ে আসা হয়।

ভ্যালেন্টাইন রাজাকে জানালেন, খিষ্টধর্মে বিশ্বাসের কারণে তিনি কাউকে বিবাহ বাধনে আবদ্ধ হতে বারণ করতে পারেন না। রাজা তখন তাকে কারাগারে নিক্ষেপ করেন। কারাগারে থাকা অবস্খায় রাজা তাকে খ্রিষ্টান ধর্ম ত্যাগ করে প্রাচীন রোমান পৌত্তলিক ধর্মে ফিরে আসার প্রস্তাব দেন এবং বিনিময়ে তাকে ক্ষমা করে দেয়ার কথা বলেন। উল্লেখ্য, রাজা দ্বিতীয় ক্লডিয়াস প্রাচীন রোমান পৌত্তলিক ধর্মে বিশ্বাস করতেন এবং তৎকালীন রোমান সাম্রাজ্যে এ ধর্মের প্রাধান্য ছিল। যা হোক, ভ্যালেন্টাইন রাজার প্রস্তাব মানতে অস্বীকৃতি জানালেন এবং খ্রিষ্ট ধর্মের প্রতি অনুগত থাকার কথা পুনর্ব্যক্ত করলেন। তখন রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেন। অত:পর রাজার নির্দেশে ২৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। পরে রোমান সাম্রাজ্যে খ্রিষ্ট ধর্মের প্রাধান্য সৃষ্টি হলে গির্জা ভ্যালেন্টাইনকে ` `Saint' হিসেবে ঘোষণা করে।




৩৫০ সালে রোমের যে স্খানে ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল সেখানে তার স্মরণে একটি গির্জা নির্মাণ করা হয়। অবশেষে ৪৯৬ খ্রিষ্টাব্দে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু পোপ গ্লসিয়াস ১৪ ফেব্রুয়ারিকে `Saint Valentine Day' হিসেবে ঘোষণা করেন। ভ্যালেন্টাইন কারারক্ষীর যুবতী মেয়েকে ভালোবাসার কারণে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু পোপ গ্লসিয়াস ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ ঘোষণা করেননি। কারণ, খ্রিষ্ট ধর্মে পুরোহিতদের জন্য বিয়ে করা বৈধ নয়। তাই পুরোহিত হয়ে মেয়ের প্রেমে আসক্তি খ্রিষ্ট ধর্মমতে অনৈতিক কাজ। তা ছাড়া, ভালোবাসার কারণে ভ্যালেন্টাইনকে কারাগারে যেতে হয়নি। কারণ, তিনি কারারক্ষীর মেয়ের প্রেমে পড়েছিলেন কারাগারে যাওয়ার পর। সুতরাং, ভ্যালেন্টাইনকে কারাগারে নিক্ষেপ ও মৃত্যুদণ্ডদানের সাথে ভালোবাসার কোনো সম্পর্ক ছিল না।

তাই ভ্যালেন্টাইনের কথিত ভালোবাসা সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ডে’র মূল বিষয় ছিল না। বরং ধর্মের প্রতি গভীর ভালোবাসাই তার মৃত্যুদণ্ডের কারণ ছিল।

<3 <3 <3 <3 <3 <3 <3 <3 <3




যাই হোক, প্রচলিত এই কাহিনী কতটুকু সঠিক, সেটা আমরা জানি না। তবে এটুকু জানি যে, ভালোবাসা প্রকাশের জন্য কোন বিশেষ দিনের প্রয়োজন হয় না। প্রতিটি দিন,ভালোবাসার দিন, ভালোবাসা প্রকাশের দিন। তবুও প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী আজকের এই দিনটি আমাদের কাছে একটু বিশেষ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সবাইকে 'ভালোবাসা দিবস'-এর শুভেচ্ছা। প্রত্যেকের জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত ভালোবাসায় পরিপূর্ণ থাকুক, এই কামনা করি..
<3 <3 ♥♥ <3 <3 <3 <3 <3 <3 <3 <3 <3

সোমবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০১৭

ছোট্টখ্যাতীর বড় বিড়ম্বনা



ছোট্টখ্যাতীর বড় বিড়ম্বনা

ইসমাইল খান :
---------------------------

একটু আগে বাসার উদ্দেশ্যে মহাখালী থেকে বিটিআরসির বাসে উঠে দেখি সীট নেই । কন্টেকটার একটা সীট দেখিয়ে দিয়ে বলল স্যার বসেন । লক্ষ্য করলাম ৩ জনের সীটের দুটিতে এক জোড়া বুড়ো কপোত কপোতী কি নিয়ে যেন তর্ক করছে । তবুও পাশে বসলাম ।

বুড়োদের ঝামেলা মেটানো বড়ই কষ্ট । কেউ কাউকে ছাড় দিতে চায় না । দুজনে বড়ই অভিজ্ঞ। যাহোক আমি বসা মাত্রই প্রবীন চাচা মাথায় টুপি পরা, দাঁড়িও আছে বলল “বাবা নায়ক-নায়িকা ছাড়া কি নাটক হয় ?
আমি ঘটনার আদোপান্ত কিছুই না বুঝতে পেরে চাচীর দিকে প্রশ্ন চুড়লাম “চাচী আপনার বক্তব্য কি ? “
চাচী মুখ তুলে আমার দিকে তাকিয়েই বলল “আরে ! তোমাকে নিয়েই তো ঝগড়া”
এবার আমি হতচকিত হয়ে বললাম “মানে ? “
চাচী বলল “তুমি নাটক করনাহ ? দাওয়াহ টিভিতে তোমার নাটক দেখেছিলাম ।

ইসমাইল খান
আমি বুঝলাম সত্যি পরিচয় দিলে আজকে জানি এ কপোত কপোতীরা আমার কি হাল করে ছাড়ে ! তাই বললাম “আরে নাহ্ আমি না, অন্য কেউ, মানুষের মত মানুষ থাকেতো”
চাচী মাথা উঁচু করে বলল “আমাকে ফাঁকি দেওয়ার সাধ্য কার আছে, আমি ঢাকাইয়া মাইয়া”
ভাবলাম, বিপদ বোধহয় খুব কাছে । চাচা বোধহয় উত্তর বঙ্গের কোন...ম.... তাই তাড়াতাড়ি বললাম “কিন্তু ঝগড়া কি নিয়ে ?

চাচী বলল “তোমার নাটকে কোন নায়িকা নেই, তাই তোমার চাচা বলল, নায়িকা ছাড়া নাকি নাটক হয়না । ”
আমি বললাম “আপনি কি বলেন ?“
চাচী বলল “অবশ্যই হয়, ঘটনা প্রবাহ - ই নাটক, এখানে নায়িকা কোন ফ্যাক্টর না।”

মনে সাহস পেলাম অন্ততঃ এই ঢাকাইয়া কু্ট্টি আমার পক্ষ্যে । তাই চাচীর পক্ষ্যে সাপোর্ট দিয়ে বললাম “আরে সবখানে নায়িকা লাগেনা, সত্যজিৎ রায়ের ‘হিরক রাজার দেশে’ সহ অনেক ছবি বা নাটকে নায়িকা নেই” ।
আমার কথার রেশ টেনে চাচী বলল “তবুও ওগুলো জনপ্রিয়”
আমি বললাম “আমার টা ছাড়া”


চাচী আমার কান টেনে ধরে বলল “তোমারটা আরো বেশি জনপ্রিয় ।
চাচীর কথার রেশ না কাটতেই চাচা বলল, অন্তত আমার ঘরে তুমি অনেক জনপ্রিয় ।
আনমনে অনেক্ষণ হাঁসলাম, আর ভাবলাম এমন কত মানুষই আমাকে ভালোবাসে । আমি কি সেই ভালবাসার দাম দিতে পারব ।
চোখের কোনে একটু লবন মেশানো পানি গাল বেয়ে পড়ছে, তা নিয়েই গাড়ী থেকে নেমে আমার ব্যাচেলর বাসায় ফিরলাম ।
ধন্যবাদ হে মহান প্রভূ, সবই তোমার দয়ায় ।

যেভাবে শিশুর বুকে জমা কফ গলে যাবে ! || ইসমাইল খান


ইসমাইল খান :
শীতকালে সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হয় শিশুরা। বুকে জমে থাকা কফ ও কাশির কারণে ঘুমাতে পারে না।সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে যায়, নিঃশ্বাস নিতে ছটফট করতে থাকে, পরে কান্না জুরে দেয়। এসময় শিশুর সঙ্গে মা-বাবাকেও নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়। এ সমস্যা থেকে সমাধান পেতে অনেক মা- বাবা চিকিৎসকের কাছে গিয়ে হাই-এন্টিবায়োটিক
ও ঠাণ্ডার ওষুধ খাওয়ান শিশুকে।
তবে এসব হালকা বিষয়ে শিশুকে কড়া পাওয়ারের ওষুধ না খাওয়ানোই ভালো।
তবে আপনি চাইলে ঘরোয়া কিছু উপায়ে শিশুর বুকে জমানো কফ দূর করতে পারেন।

আসুন সেই কার্যকরী উপায়গুলো জেনে নিই :
.
* অনেক অভিভাবক শিশুর সর্দি কাশি হলে গোসল করাতে চান না।এটা ঠিক নয়, প্রতিদিন কুসুম গরম পানিতে শিশুটিকে গোসল করাতে হবে।এতে সর্দি বুকে বসতে পারে না।
.
* রোগ জীবাণুর কারণে আপনার শিশুটি ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়। এতে সে দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই এসময়টা শিশুর পর্যাপ্ত বিশ্রামের প্রয়োজন। এটি শরীরের
ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি যোগায়।
.
* একটি পাত্রে গরম পানি নিয়ে সেটি দিয়ে শিশুটিকে ভাপ দিন।এভাবে শিশুটিকে কিছুক্ষণ রাখুন।গরম পানিরভাব শিশুর নাকের ছিদ্র পরিষ্কার করে দেয়।
.
* সর্দি-কাশিতে দ্রুত আরাম পেতে শিশুকে নাকের ড্রপ দেয়া যেতে পারে। আপনি চাইলে এই ড্রপ ঘরে তৈরি করে নিতে পারেন। একটি পাত্রে ৪ চা চামুচ গরম পানির
সঙ্গে আধা চা চামচ লবণ দিয়ে ভাল করে জ্বাল দিন। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে এটি নাকের ড্রপ হিসেবে ব্যবহার করুন।
.
* ২টি রসুনের কোয়া ও ১ টেবিল চামচ মৌরি ভাল করে ভেজে বেটে নিন। এবার এই মিশ্রণটি একটি পরিষ্কার কাপড়ে বেঁধে পুটলি তৈরি করে শিশুর ঘুমানোর স্থানে রেখে দিন। এটি গরম হয়ে এর থেকে বের হওয়া বাষ্প শিশুর বন্ধ নাক খুলে দেবে। এবং কফ চলে যাবে। রসুন এবং মৌরিতে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি ভাইরাল উপাদান থাকে, যা শিশুর ঠাণ্ডা দূর করতে সাহায্য করে।
.
* ঠাণ্ডায় শিশুকে টমেটো এবং রসুনের স্যুপ খাওয়াতে পারেন। এটি শরীরে পানির চাহিদা পূরণ করার সঙ্গে সঙ্গে কফ গলিয়ে শিশুকে আরাম দেবে।
.
* সর্দি, জ্বরে শিশুকে ঘুমানোর সময় মাথা কিছুটা উঁচু করে রাখুন। এতে করে তার শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া অনেকটা সহজ হবে।
.
* গরম পানির সঙ্গে এক চামচ মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন। এটিও আপনার শিশুটিকে আরাম দেবে।


গাজরের গুণাগুণ || ইসমাইল খান




গাজরের গুণাগুণ-
১. গাজর ক্ষুধা বাড়ায় এবং সহজে হজম হয়।
২. গাজরে প্রচুর ভিটামিন এ, বি ও সি আছে।
৩. গাজর খেলে শরীর নরম ও সুন্দর হয়।
৪. গাজর শরীরের শক্তি বাড়ায় এবং ওজন বাড়ে।
৫. গাজরে ক্যারোটিন আছে প্রচুর পরিমাণ।
৬. শরীরের পুষ্টি এবং বুদ্ধির বিকাশে গাজর উপকারী।




৭. গাজর খেলে রঙ ফর্সা হয়, মুখের সৌন্দর্য বাড়ে। কারণ গাজরে আছে রক্ত পরিষ্কার করার গুণ।
৮. গাজরে ফসফরাস থাকার জন্য যারা মাথার কাজ করেন তাদের পক্ষে গাজর ও গাজরের শাক খুব উপকারী।
৯. গাজর শরীরের জ্বালা ও পেট ফাঁপা দূর করে।



     ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে পেইজ এর পোস্ট এ নিয়মিত লাইক, কমেন্ট না করলে ধীরে ধীরে পোস্ট আর দেখতে পাবেন না। তাই পোস্ট ভাল লাগলে লাইক দিয়ে শেয়ার করে পেজে একটিভ থাকুন । অনেক কষ্ট করে তথ্য গুলো জোগাড় করেছি আপনাদের জন্য। আপনারা লাইক ও শেয়ার না করলে তথ্য দেয়ার আগ্রহ মরে যায় । তাই পেজটিকে জীবিত রাখতে নিয়মিত লাইক এবং শেয়ার করুন ।


 √ বিঃদ্রঃ পোষ্ট টা কেমন লেগেছে আপনার ? কমেন্ট (Comment) করতে ভুলবেন না ।











কথকথন || ইসমাইল খান

জনৈক মুফতীঃ জ্বী বোন, টিভির সাউন্ড কমিয়ে আপনার প্রশ্নটি করুন।
.
জনৈক বোনঃ শাইখ, আমার স্বামী, পুত্র ও কন্যার ঘুম অত্যন্ত গভীর। ফজরের সালাতের সময় কোনভাবেই ওদের ঘুম ভাঙাতে পারি না। কী করলে ফজরের সালাতের সময় ওদের ঘুম থেকে ডেকে তুলতে পারবো?
.
জনৈক মুফতীঃ বোন, যদি আপনার ঘরে কখনো আগুন লাগে এবং আপনার পরিবারের সদস্যরা যদি তখন ঘরের ভেতর ঘুমাতে থাকেন, আপনি কী করবেন তখন?
.
জনৈক বোনঃ অবশ্যই তাঁদের সবাইকে ঘুম থেকে ডেকে তুলবো।
.
জনৈক মুফতীঃ কিন্তু ওদের ঘুম তো অত্যন্ত গভীর – আপনিই বললেন।
.
জনৈক বোনঃ তারপরেও যে কোন মূল্যে ডেকে তুলবো ওদের। জীবন-মৃত্যুর ব্যাপার!
.
জনৈক মুফতীঃ সুব'হানাল্লাহ। বোন, আপনি পৃথিবীর আগুন থেকে নিজ পরিবারের সদস্যদের বাঁচানোর জন্য তাঁদের গভীরতম ঘুম থেকে ডেকে তুলতে যা যা করবেন, নুন্যতম সেই কাজগুলোই করুন জাহান্নামের আগুন থেকে তাঁদের বাঁচানোর জন্য। যদিও হিসেব মতো সেই কাজগুলোর ৭০ গুন বেশী চেষ্টা করা উচিত আপনার। কারণ –
.
আবু হুরায়রা (রাদিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন – "তোমাদের (ব্যবহৃত) আগুন জাহান্নামের আগুনের ৭০ ভাগের ১ ভাগ মাত্র।"
[সহীহ বুখারীঃ অধ্যায় ৫৯ (সৃষ্টির সূচনা), হাদীস ৭৫]
------
(Collected)

শনিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০১৭

নারীরা অধিক সংখ্যক জাহান্নামে যাবে

এম ইসমাইল হোসাইন খান :
عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: يا معشر النساء !
تصدقن وأكثرن الاستغفار . فإني رأيتكن أكثر أهل النار . فقالت امرأة منهن ، جزلة : وما لنا يا رسول الله أكثر أهل النار . قال : تكثرن اللعن . وتكفرن العشير . رواه مسلم.


আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রা: থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : হে নারীগণ! তোমরা দান-সদাক করো। বেশী বেশী করে আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। কেননা আমি জাহান্নামে তোমাদের অধিকহারে দেখেছি। এ কথা শোনার পর উপস্থিত মহিলাদের মধ্য থেকে একজন -যার নাম ছিল জাযলা- প্রশ্ন করলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের কেন এ অবস্থা? কেন জাহান্নামে আমরা বেশী সংখ্যায় যাবো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: তোমরা স্বামীর প্রতি বেশী অকৃতজ্ঞ ও অভিশাপ দাও বেশী।   - মুসলিম