রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

দেখুন কত্তবড় একটি মাছের পেটের ভিতরে এতগুলো বড় বড় মাছ ! (ভিডিও)



 দেখুন কত্তবড় একটি মাছের পেটের ভিতরে এতগুলো বড় বড় মাছ !
বিদেশে নয়
খোদ আমাদের বাংলাদেশে এত্তবড় মাছ আগে দেখেছেন কি ?
না দেখলে মিস করবেন
মাছটির পেট কাটার সাথে সাথে অনেক গুলো বড় বড় আড়ু মাছ বেরিয়ে আসে
দেখুন অসাধারণ ভিডিওটি






শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

গীবত বা পর নিন্দা ঃ আপন মৃত ভাইয়ের মাংস খাওয়া







যে ভিডিও খুলে দেবে আপনার জ্ঞানের চোখে নতুন পথ



-----------------------------------------

যে ভিডিও খুলে দেবে আপনার জ্ঞানের চোখে নতুন পথ, খুলে দেবে হাজারো প্রশ্নের জবাব
ইসমাইল খান অভিনীত নাটিকা “কুরআনের বাংলা খতম”

Al Dawah TV তে প্রচারিত
নন্দিত চিত্রনায়ক ইলিয়াছ কাঞ্চনের উপস্থাপনায় “কুরআনের আঙ্গিনায় আমরা” অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে অংশ গ্রহণ করেন বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক ডঃ মোঃ ওবায়দুল্লাহ ও বিশিষ্ট চলচ্চিত্র অভিনেতা বাবুল আহমেদ
সবার নিকট দোয়া দরখাস্ত রইল ।
শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ দিন । 



শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ দিন । 





বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

জুম্মার ফজিলত



হযরত আবু লুবাবা ইবনে আবদুল মুনযির (রা:) থেকে বর্ণিতরাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, "জুমুআর দিন সকল দিনের সরদার। আল্লাহর নিকট সকল ‍দিনের চেয়ে মর্যাদাবান। কোরবানীর দিন ও ঈদুল ফিতরের দিনের চেয়ে বেশী মর্যাদাবান।"
আবু হুরাইরা (রা:) থেকে বর্ণিততিনি বলেন, "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "আমরা শেষে এসেছি কিন্তু কেয়ামতের দিন সকলের আগে থাকবো। যদিও অন্য সকল জাতিগুলো (ইহুদী ও খৃষ্টান) কে গ্রন্থ দেয়া হয়েছে 
আমাদের পূর্বেআমাদের গ্রন্থ দেয়া হয়েছে তাদের পরে। অত:পর জেনে রাখো এই (জুমার) দিনটি আল্লাহ আমাদের দান করেছেন। তিনি এ ব্যাপারে

আমাদের সঠিক পথের দিশা দিয়েছেন। আর অন্য লোকেরা এ ব্যাপারে আমাদের পিছনে আছে। ইহুদীরা জুমার পরের দিন (শনিবার) উদযাপন করে আর খৃষ্টানেরা তার পরের দিন (রবিবার) উদযাপন করে।" (বর্ণনায়: বুখারী ও মুসলিম)"


আসুন আমরা জুম্মার দিনে আগে ভাগে মসজিদে যাইআমি আপনি যদি একটু আগে ভাগে মসজিদে যাই তবে এর জন্য অনেক ফজিলত রয়েছে। 
হাদিসে আছে জুম্মার দিনে আগে ভাগে মসজিদে গেলে দান-খয়রাত বা পশু কুরবানী করার সমতুল্য সওয়াব পাওয়া যায়। আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত এক হাদীসে রাসুল (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যাক্তি জুআর দিন ফরজ গোসলের মত গোসল করে প্রথম দিকে মসজিদে হাজির হয়সে যেন একটি উট কুরবানী করলদ্বিতীয় সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে প্রবেশ করে সে যেন একটি গরু কুরবানী করলতৃতীয় সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে প্রবেশ করল সে যেন একটি ছাগল কুরবানী করল। অতঃপর চতুর্থ সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে গেল সে যেন একটি মুরগী কুরবানী করল। আর পঞ্চম সময়ে যে ব্যাক্তি মসজিদে প্রবেশ করল সে যেন একটি ডিম কুরবানী করল। অতঃপর ইমাম যখন বেরিয়ে এসে মিম্বরে বসে গেলেন খুৎবার জন্যতখন ফেরেশতারা লেখা বন্ধ করে খুৎবা শুনতে বসে যায়।” (বুখারীঃ ৮৮১ইফা ৮৩৭,আধুনিক ৮৩০)
"যে ব্যাক্তি আদব রক্ষা করে জুমআর সালাত আদায় করে তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে তার জন্য পুরো এক বছরের রোজা পালন এবং রাত জেগে তাহাজ্জুদ পড়ার সমান সওয়াব লিখা হয়।"
আউস বিন আউস আস সাকাফী (রাঃ) থেকে বর্ণিতরাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: জুমাআর দিন যে ব্যাক্তি গোসল করায় (অর্থাৎ সহবাস করেফলে স্ত্রী ফরজ গোসল করে এবং) নিজেও ফরজ গোসল করেপূর্বাহ্ণে মসজিদে আগমন করে এবং নিজেও প্রথম ভাগে মসজিদে গমন করেপায়ে হেঁটে মসজিদে যায় (অর্থাৎ কোন কিছুতে আরোহণ করে নয়)ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসেমনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনেকোন কিছু নিয়ে খেল তামাশা করে নাসে ব্যাক্তির প্রতিটি পদক্ষেপের জন্য রয়েছে বছরব্যাপী রোজা পালন ও সারা বছর রাত জেগে ইবাদত করার সমতুল্য সওয়াব।” (মুসনাদে আহমাদঃ ৬৯৫৪১৬২১৮)

আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন আমরা যখন মসজিদে যাই তখন সেখানে তিন ধরনের মানুষ দেখতে পাইযা হুজুর (সা:) এর নিম্নোক্ত হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয়:
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “জুমআর সালাতে তিন ধরনের লোক হাজির হয়। (ক) এক ধরনের লোক আছে যারা মসজিদে প্রবেশের পর তামাশা করেতারা বিনিময়ে তামাশা ছাড়া কিছুই পাবে না। (খ) দ্বিতীয় আরেক ধরনের লোক আছে যারা জুমআয় হাজির হয় সেখানে দুআ মুনাজাত করেফলে আল্লাহ যাকে চান তাকে কিছু দেন আর যাকে ইচ্ছা দেন না। (গ) তৃতীয় প্রকার লোক হল যারা জুমআয় হাজির হয়চুপচাপ থাকেমনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনেকারও ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে আগায় নাকাউকে কষ্ট দেয় নাতার দুই জুমআর মধ্যবর্তী ৭ দিন সহ আরও তিনদিন যোগ করে মোট দশ দিনের গুনাহ খাতা আল্লাহ তায়ালা মাফ করে দেন।” (আবু দাউদঃ ১১১৩)
যে সকল মসলমান জুমআর নামাজ অত্যন্ত আদবের প্রতি লক্ষ্য রেখে আদায় করেসেই সকল আদায়কারীদের জন্য দুই জুমআর মধ্যবর্তী সময় গুনাহের কাফফারা স্বরূপ। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “পাঁচ বেলা সালাত আদায়এক জুমআ থেকে পরবর্তী জুমএক রমজান থেকে পরবর্তী রমজানের মধ্যবর্তী সময়ে হয়ে যাওয়া সকল (সগীরা) গুনাহের কাফফারা স্বরূপএই শর্তে যেবান্দা কবীরা গুনাহ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখবে।” (মুসলিমঃ ২৩৩)

দ্বীন ইসলাম একতাকে পছন্দ করে। মানুষকে একতার প্রতি আহ্বান করে। বিচ্ছিন্নতা ও ইখতেলাফকে ঘৃণা ও অপছন্দ করে। তাই ইসলাম মুসলমানদের পারস্পরিক পরিচিতি, প্রেমপ্রীতি ও একতার এমন কোন ক্ষেত্র বাদ রাখেনি যার প্রতি আহ্বান করেনি। জুমআর দিন মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদের দিন। তারা সেদিন আল্লাহর স্মরণ ও গুণকীর্তনে সচেষ্ট হয় এবং দুনিয়াবী কাজ-কর্ম ও ব্যস্ততা পরিত্যাগ করে আল্লাহ প্রদত্ত অপরিহার্য বিধান ফরয নামাজ আদায় করার জন্য এবং সাপ্তাহিক দারস তথা জুমআর খুতবা -যার মাধ্যমে খতীব ও আলিমগণ কল্যাণমুখী জীবনযাপনের পন্থা ও পদ্ধতি বয়ান করে থাকেন, সমাজের নানা সমস্যা তুলে ধরে ইসলামের দৃষ্টিতে তার সমাধান কী তা উপস্থাপন করেন শোনার জন্য আল্লাহর ঘর মসজিদে জমায়েত হয়।
আল কুরআনে ইরশাদ হয়েছে:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نُودِي لِلصَّلَاةِ مِن يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا إِلَى ذِكْرِ اللَّهِ وَذَرُوا الْبَيْعَ ذَلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ * فَإِذَا قُضِيَتِ الصَّلَاةُفَانتَشِرُوا فِي الْأَرْضِ وَابْتَغُوا مِن فَضْلِ اللَّهِ وَاذْكُرُوا اللَّهَ كَثِيرًا لَّعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

অর্থ: হে মুমিনগণ! জুমআর দিনে যখন নামাজের আযান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে এসো এবং বেচা-কেনা বন্ধ কর, এটা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বুঝ। অতঃপর নামাজ সমাপ্ত হলে ভূপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (জীবিকা) তালাশ কর ও আল্লাহকে অধিক স্মরণ কর যাতে তোমরা সফলকাম হও। (সূরা জুমআ, আয়াত: ৯-১০)
জুমআ প্রতিটি মুক্বীম (বাড়ীতে অবস্থানকারী), আযাদ (স্বাধীন). বালিগ (প্রাপ্ত বয়স্ক) মুসলমানের উপর ওয়াজিব। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিয়মিত জুমআর নামাজ আদায় করেছেন এবং তিনি জুমআ পরিত্যাগকারী সম্পর্কে কঠোর উক্তি পেশ করে বলেছেন:
لَيَنتَهِيَنَّ أَقْوامٌ عَنْ وَدْعِهِمْ الجمعاتِ أو لَيختُمَنَّ الله على قُلوبِهِمْ ثُمَّ لَيَكُونَنَّ من الغافِلِينَ (مسلم).
অর্থ: যারা জুমআ পরিত্যাগ করে তাদের অবশ্যই ক্ষান্ত হওয়া উচিত, অন্যথায় আল্লাহ নিশ্চয় তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেবেন। ফলে তারা গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত হবে নিশ্চিতরূপেই। (মুসলিম)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন:
مَنْ تَرَكَ ثلاثَ جَمَعٍ تَهَاوَناً طَبَعَ الله عَلى قَلْبِهِ
অর্থ: যে ব্যক্তি অবহেলা করে তিন জুম্আ পরিত্যাগ করবে আল্লাহ তার অন্তরে মোহর মেরে দেবেন
জুমআর নামাজ দুই রাকাত। জুমআর ইমামের পিছনে একতেদা করে জুমআর এ দুরাকাত নামাজ আদায় করতে হবে।

জুমআর নামাজের জন্য জামে মসজিদ হওয়া শর্ত। অর্থাৎ যে মসজিদে জুমআর নামাজ আদায় করা হয়, যেখানে মুসলমানরা একত্রিত হয় এবং তাদের ইমাম তাদেরকে সম্বোধন করে কথা বলেন, নসীহত-উপদেশ দেন, সরল পথ দেখান।

জুম্আর খুতবা চলাকালীন কথা বলা হারাম। এমনকি যদি কেউ তার পাশের ব্যক্তিকে বলে, ‘চুপ থাকতাহলেও সে কথা না বলার বিধান ভঙ্গ করল বলে পরিগণিত হবে।

(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘‘তোমাদেরমধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই;
যে নিজে কুরআন শেখে ওঅপরকে শিক্ষা দেয়’’। (বুখারী ৫০২৭)

২) আয়েশা (রাদি আল্লাহ তায়ালা আনহা) হতে বর্ণিত,তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,‘‘কুরআনের (শুদ্ধভাবে পাঠকারী ও পানিরমত হিফযকারী পাকা) হাফেয
মহাসস্মমানিত পুণ্যবান লিপিকার(ফিরিশতাবর্গের) সঙ্গী হবে। আর যে ব্যক্তি (পাকা হিফয না থাকারকারনে) কুরআন পাঠে ওঁ-ওঁকরে এবং পড়তে কষ্টবোধ করে, তার জন্য
রয়েছে দুটি সওয়াব।” (একটি তেলায়ত ওদ্বিতীয়টি কষ্টের দরণ)। (বুখারী ৪৯৩৭,মুসলিম ৭৯৮)

৩ )আবূ মূসা আশআরী (রাদি আল্লাহ তায়ালা আনহু) হতে বর্ণিত,তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,‘কুরআন পাঠকারী মুমিনের হচ্ছে ঠিক
কমলা লেবুর মত; যার ঘ্রাণ উওমএবং স্বাদও উওম।আর যে মুমিন কুরআন
পড়ে না তার উদাহরণ হচ্ছে ঠিক খেজুরের মত; যার (উওম) ঘ্রাণ তো নেই,তবে স্বাদ মিষ্ট। (অন্যদিকে) কুরআন পাঠকারী মুনাফিকের দৃষ্টান্ত হচ্ছে সুগন্ধিময় (তুলসি) গাছের মত; যার
ঘ্রাণ উওম কিন্ত স্বাদ তিক্ত। আর যে মুনাফিক কুরআন পড়ে না তার উদাহরণ হচ্ছে ঠিক মাকাল ফলের মত; যার (উওম) ঘ্রাণ নেই, স্বাদও তিক্ত’’ (বুখারী ৫০২০, মুসলিম ৭৯৭)

৪) নাওয়াস ইবনে সামআন (রাদি আল্লাহ তায়ালা আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, ‘‘ কুরআন ও
ইহজগতে তার উপর আমলকারীদেরকে (বিচারের দিন মহান আল্লাহর সামনে) পেশ করা হবে।সূরা বাক্কারাহ ও সূরা আলে ইমরান তারআগে আগে থাকবে এবং তাদের
পাঠকারীদের সপক্ষে (প্রভুর সঙ্গে) বাদানুবাদে লিপ্ত হবে। ( মুসলিম ৮০৫)

৫) আবূ উমামাহ (রাদি আল্লাহ তায়ালা আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, ‘‘তোমরা কুরআন মাজীদ পাঠ করো। কেননা, কিয়ামতের
দিন কুরআন, তার পাঠকের জন্য সুপারিশকারী হিসাবে আগমন করবে’’। (মুসলিম ৮০৪)


জুম্মা: বহু বরকত ও ফজিলত নিহিত রয়েছে আজকের দিনটিতে

নিম্নলিখিতি সুন্নাত গুলো আদায় করতে সচেষ্ট হন : !!►►

১) ফজরের সালাত জামাতে আদায় করুন (আল-বায়হাকী , সহী আল-আলবানি, ১১১৯)
২) সালাত আল-জুম্মার পূর্বের এবং পরের করণীয় ঃ-
 জুম্মার দিন গোসল করা (বুখারী এবং মুসলিম : # ১৯৫১ এবং # ৯৭৭)
 জুম্মার সালাতে শীঘ্র উপস্থিত হওয়া (বুখারী এবং মুসলিম : # ৯২৯ এবং ১৯৬৪)
 পায়ে হেঁটে মসজিদে গমন করা (আল-তিরমিজি, ৪৯৬)
 মনোযোগ সহকারে জুম্মার খুৎবা শোনা (আল-বুখারী ৯৩৪ এবং মুসলিম ৮৫১)
৩) জুম্মার দিন আপনার দুয়া কবুল হবার সেই মুহূর্তটির অনুসন্ধান করুন (বুখারী এবং মুসলিম : # ৯৩৫ এবং # ১৯৬৯)
৪) সূরা কাহাফ তিলাওয়াত (আল-হাকিম, ২/৩৯৯; আল-বায়হাকী, ৩/২৪৯)
৫) আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপর দুরদ পাঠ (ইবনে মাজাহ # ১০৮৫ , আবু দাউদ , # ১০৪৭)







মৃত্যুর পূর্বে ৪ জন ফেরেস্তা যেভাবে জানিয়ে দেয় মৃত্যুর আগাম সংবাদ



হাদীস শরীফে বর্ণিত আছেযখন মানুষের অন্তিমকাল উপস্থিত হয় এবং রূহ বের হবার সময় ঘনিয়ে আসেতখন চারজন ফেরেশতা তার কাছে উপস্থিত হয়।

সর্বপ্রথম এক ফেরেশতা উপস্থিত হয়ে বলবেন আসসালামু আলাইকুম” হে
অমুক! আমি তোমার খাদ্য সংস্থানের কাজে নিযুক্ত ছিলাম। কিন্তু এখন পৃথিবীর
পূর্ব থেক পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত অন্বেষণ করেও তোমার জন্য এক দানা খাদ্য সংগ্রহ করতে পারলাম না। সুতরাং বুঝলাম তোমার মৃত্যু ঘনিয়ে এসেছে হয়ত
এখনই তোমাকে মরণ সুধা পান করতে হবে।পৃথিবীতে তুমি আর বেশীক্ষণ থাকবে না। 





অত:পর দ্বিতীয় ফেরেশতা এসে সালাম করে বলবেন হে আল্লাহর বান্দা! আমি তোমার পানীয় সরবরাহের জন্য নিযুক্ত ছিলাম, কিন্তু এখন তোমার জন্য পৃথিবীর সবৃত্র অন্বেষণ করেও এক ফোঁটা পানি সংগ্রহ করতে পারলাম না।
সুতরাং আমি বিদায় হলাম।

অত:পর তৃতীয় ফেরেশতা এসে সালাম করে বলবেন হে আল্লাহর বান্দা! আমি তোমার পদযুগলের তত্ত্বাবধানে নিযুক্ত ছিলাম, কিন্তু পৃথিবীর সর্বত্র ঘুরেও তোমার জন্য একটি মাত্র পদক্ষেপের স্থান পেলাম না। সুতরাং আমি বিদায় নিচ্ছি।

চতুর্থ ফেরেশতা এসে সালাম করে বলবেন হে আল্লাহ বান্দা! আমি তোমার শ্বাস-
প্রস্বাস চালু রাখার কাজে নিযুক্ত ছিলাম। কিন্তু আজ পৃথিবীর এমন কোন জায়গা খুঁজে পেলাম না যেখানে গিয়ে তুমি মাত্র এক পলকের জন্য শ্বাস-
প্রশ্বাস গ্রহণ করতে পার। সুতরাং আমি বিদায় নিচ্ছি।

অত:পর কেরামান কাতেবীন ফেরশতাদ্বয় এসে সালাম করে বলবেন, হে
আল্লাহর বান্দা! আমরা তোমার পাপ-পূণ্য লেখার কাজে নিযুক্ত ছিলাম।
কিন্তু এখন দুনিয়ার সব জায়গা সন্ধান করেও আর কোন পাপ-পূণ্য খুঁজে
পেলাম না। সুতরাং আমরা বিদায় নিচ্ছি। এই বলে তারা এক টুকরা
কালো লিপি বের করে দিয়ে বলবেন হে আল্লাহর বান্দা! এর দিকে লক্ষ্য কর।
সে দিকে লক্ষ্য করামাত্র তার সর্বাঙ্গে ঘর্মস্রোত প্রবাহিত হবে এবং কেউ যেন ঐ লিপি পড়তে না পারে এজন্য সে ডানে বামে বার বার দেখতে থাকবে।
অত:পর কেরাম কাতেবীন প্রস্থান করবেন।

তখনই মালাকুল মউত তার ডান পাশে রহমতের ফেরেশতা এবং বাম পাশে
আযাবের ফেরেশতা নিয়ে আগমন করবেন। তাদের মধ্যে কেউ আত্মাকে খুব
জোরে টানাটানি করবেন, আবার কেউ অতি শান্তির সাথে আত্মা বের করে
আনবেন। কন্ঠ পর্যন্ত আত্মা পৌঁছলে স্বয়ং যমদূত তা কবজ করবেন।

হে আল্লাহ তুমি রাহমানের রহিম, তুমি দয়ালু, তুমি আমাদের সবাইকে খাঁটি মুসলমান না বানিয়ে কবরে নিও না।

(
আমিন )